Struggle part:1
আম্মা ডাক্তার দেখাবে না? আমার আম্মার হুটহাট নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। আম্মার বয়স ৬০ বছর পার হয়ে গেছে।।কোমর ব্যাথা, ঘাড় ব্যাথা,হাঁটু ব্যাথা,শরীল ব্যাথা আম্মার তো লেগেই আছে। ওষুধ খায় কিন্তু ভালো হচ্ছে না। অসুস্থ,বয়সের ভারে নেতিয়ে পরা একজন মানুষ এখনও সংসারের সমস্ত কাজ করেন।রান্না বান্না, বাসন কোসন মাজা ,সব কাজ মা একা হাতেই করেন।আম্মা বলল,এখন দেখবনা। শরীল তেমন খারাপ না। আম্মা তুমি এমন করো কেন? চলো ডাক্তার দেখিয়ে নিয়ে আসি।আচ্ছা তুমি মেসে
যাও,আমি তুমার আব্বাকে নিয়ে যাবো জামালপুর।তুমি দেখিয়ে দিয়ো।
আচ্ছা আম্মা।আমাকে জানিয়ে দিও।বলে চলে আসলাম।সেই 2018 সালের কথা। আজকে লিখতেছি।যায় হউক আমি কিন্তু আমার আম্মাকে আর ডাক্তার দেখাতে নিয়ে আসতে পারিনি।সাল 2018,আমার হুট করেই ঠান্ডা লাগে বেশি বেশি।ভাবলাম পরিবেশের কারণে হয়তো এমন হচ্ছে।ফার্মেসি থেকে ঔষধ নিয়ে আসি,আর খাই। 3 মাস হয়ে যাচ্ছে,ঠান্ডা ভালো হয়না।আমি খুব ভয় পেতে লাগলাম।ভালো কোনো ডাক্তার দেখবো কিনা।কারণ আমি কনফিউজড ছিলাম,এই ভেবে যে,আমার ব্রেস্ট টিউমার এর জন্য এমন হচ্ছে না তো?আবার ভাবতে লাগলাম,পলিপাস হলো কিনা? আবার মনে হতে লাগলো হরমোনাল কোনো সমস্যা হল নাকি? আমার মনে প্রশ্নের শেষ নেই।প্রশ্ন যায় হোক না কেনো,সমাধান কোনোটারই নেই।2017 ,আমি তখন ইন্টার ফার্স্ট ইয়ার।মেস এ উঠার কিছু দিন পর বুঝতে পারি,আমার ব্রেস্ট এ একটা সুপারির আকৃতির একটা মাংস পিণ্ড রয়েছে।আমি যেদিন দেখেছি,অনেক কান্না করেছি।আমি নামাজ পড়তাম,আল্লাহ কে অনেক করে বলেছি,কোন পাপের শাস্তি পাচ্ছি আমি? হে আল্লাহ আমার জীবনে এত বড় একটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন আল্লাহ,আমি সামলাবো কেমনে নিজেকে।নামাজে বসে উপরওয়ালা কে এইসব বলা ছিল আমার নিত্য নতুন কাজ।আমি জানতে পারলেও,বাসায় বলার সাহস পায়নি।কারণ আব্বা ভেঙ্গে পড়বে,সেজু ভাই, যার বুক ভরা সপ্ন আমাকে নিয়া এখনও,সেও ভেঙ্গে পড়বে।বলি না তাই কাউকে।কিছু দিন পর ঠাণ্ডা শুরু হলো।আমার কাছে টিউমার এর চিন্তা থেকে ঠান্ডার কষ্টটা বেশি গুরুত্ব পেতে লাগলো।২৪ hours হাচি, আর রুমাল হাতে নিয়েই থাকতে হয়।মাথা ব্যাথা করে।
দেখা হচ্ছে struggle part 2 তে
Comments
Post a Comment