উপায়
তুমি যখন রাস্তা হাঁটতে,তখন রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা ছেলেরা শিস দিতো।
অনেকেই তাদের কটু কথার শিকার হতে।
অনৈতিক প্রস্তাব পেতে ওদের থেকে।
তুমি কি তাদের ভয়ে সেই রাস্তায় হাটা ছেড়ে দিয়েছিলে?
দাও নি।কারণ তুমাকে হাঁটতেই হবে।
স্কুল এ যখন পড়তে,তখন স্কুল ফ্রেন্ড বা সিনিয়র ভাইরা তুমাকে প্রপোজাল দিত।
তুমি কি তাদের ভয়ে সেই স্কুল ছেড়ে দিয়েছিলে?
না দাওনি।
কারণ তুমাকে পড়তে হবে।
বাড়িতে যখন কোনো আত্মীয় আসতো।
যদি কোনো রিলেটিভ তুমাকে প্রপোজ করতো।
তুমি কি আত্মীয়তা ছিন্ন করেছিলে?
করোনি।
কারণ বেহায়াদের সাথে তর্কে যেতে নেই।
তাই সরে এসেছেন।
কলেজ ও ভার্সিটি লাইফ এ যদি কোনো ছেলের বাজে দৃষ্টিতে পড়ে থাকো।
তুমি কি তোমার পড়াশুনা স্টপ করে দিয়ে বাসায় গিয়ে বসেছিলে ?
করোনি।উচ্চ ডিগ্রি ঠিকই অর্জন করার জন্য এদেরকে ফেস করে গেছে দিনের পর দিন।
আপনাদের হয়তো প্রশ্ন জেগেছে মনে,
আপু এমন কথা কেনো বলছেন?
আসলে আমাদের জীবন যতোদিন আছে,
সমস্যাও ততদিনই থাকবে।
ছেলেরা তুমাকে জালাবে বলে,বা সমালোচকরা তুমাকে নিয়ে সমালোচনা করবে বলে,
কারোর চোখে তুমি ভালো না বলে,
কেউ তোমাকে ভালো ভাবে নিচ্ছেনা বলে,
তুমাকে বিন্দু মাত্র রাস্তা পরিবর্তন করতে হবে না।
তুমি তুমার লক্ষ্যে হাঁটছো।
কারোর কথা পিছু হলে,তুমারই ক্ষতি।
রাস্তার কুকুর ঘেউ ঘেউ করবেই,
তাতে কান দিতে নেই।
চুপচাপ নিজেকে লক্ষে স্থির রাখো।
সেই রাস্তা,স্কুল,কলেজ, ভার্সিটির ছেলেদের মত তুমার ক্যারিয়ার জীবনেও অনেক ছেলে পেলে থাকবে।
তারা তুমাকে তাদের মতোই ট্রিট করবে।
তুমি যেমন রাস্তা,স্কুল,কলেজ,ভার্সিটি কিছুই বদল করনি।
কারণ তুমার লক্ষ পড়াশুনা ছিল।
কারোর বাজে কমেন্ট এ মনোযোগ দেওয়া না।
তেমনি ক্যারিয়ার জুড়েও একই সমস্যা ফেস করবে।
কিন্তু তাতে ভেঙ্গে পড়লে হবেনা।
মনে রাখবে,তুমি এখানে কাজ করে উপার্জন করতে এসেছো।
এখানে তুমার প্রয়োজনে তুমি এসেছো।
কারোর উল্টা পাল্টা কথা তুমাকে কিছুই করতে পারবে না।
Comments
Post a Comment