সেই মেয়ে
আমি দেখেছি সেই মেয়েকে, যার মাথার উপর ছায়াটা নিভু নিভু।
আমি দেখেছি সেই মেয়েকে যার পায়ের মাটিটি যেনো অনেক পর।এই বুজি সে সরে গিয়ে তাকে বুকে টেনে নিবে অতি যত্নে।
আমি সেই মেয়েকে দেখেছি, যার চোখে বৃদ্ধা মা বাবাকে হারানোর কি ভয়ানক আতঙ্কের ছাপ। তাঁর কাছ থেকে তার আপন জনের দুরত্ব সৃষ্টির কি কি অজুহাত।
আমি শুনেছি তার এই চরম সত্যের অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করা হৃদয়ের আর্তনাদ।
আমি অনুভব করেছি তার চোখের নিচে কালো দাগের
ছাপ ,সেতো শুধু রং না।সেইটা হলো হাজারো চিন্তার সমাহার।
আমি দেখেছি কপালের ওই কুচকানো চামড়াকে।যারা সাক্ষী দিয়ে যাচ্ছে অনবরত,এইতো তুমি এই পৃথিবীর হাজারো অসহায় রাজ্যের রাজত্ব পেতে যাচ্ছ।
আমি সেই মেয়েকে দেখে নিয়েছি, যার চার পাশের আপনজন রা ছুঁড়ে দিয়েছে তিরস্কার যুক্ত বিষাক্ত তীরের বান। নিজের চোখের জল মুছতে যাকে বয়ে বেড়াতে হয়েছে হাতে সবসময় কোনো এক রুমাল।
আমি দেখেছি তাকে,ডায়রির পাতা তে লিখে রাখা হাজারো হিসেবের খাতা বার বার হিসেব করতে।কোথায় কিভাবে কমানো যায় নিজের খরচের ভার।
আর কোথায় কোথায় নিজের প্রয়োজনকে সংকীর্ণ করা যায়।আমি দেখেছি তাকে নিয়মিত মেডিসিন দুই দিন পর পর নিতে।
আমি দেখেছি সেই মেয়েকে , নিজেই নিজের বন্ধি জীবন থেকে মুক্তি পেতে তার কি আকুল মুনাজাত।
কখনও বা নিশিতে কখনোবা দিবাতে,নিজের বাবা মার
চিন্তায় আখি বিজত বার বার।নিজের পরিবারের
অসহায়ত্বের শিকলে নিজেকেই দায়ী করতো বার বার।
বাবা যাদের চাকুরী জীবী,মা যাদের প্রতিষ্ঠিত।
হাতে যাদের আই ফোন,চোখে চশমা কালারফুল। দিনে হাত খরচ হাজার টাকা,তারা কিভাবে বুজবে যুদ্ধরত মেয়েদের মনের ব্যথা।
।
Comments
Post a Comment