শূন্যতা

 সময়টা সন্ধা। বেলকনিতে গিয়ে চুপ করে বসে আছে নিরালা।চুপচাপ বসে থাকার বিষয়টি লক্ষ্য করলেন তার রুম মেট স্মৃধা।কি হয়েছে নিরালা?

তেমন কিছুনা আপি?

এইতো একটু বসে আছি।

হালকা বৃষ্টি হচ্ছে।ঠান্ডা আছে পরিবেশ।একটা চাদর গায়ে জড়ানো।চশমা দুটি যেনো বার বার মুছতে হচ্ছে,তাই খুলে রেখে দিয়েছে বেলকনির গিরিলের সাথে।

হঠাৎ নিচে থেকে কিছু কোলাহল আসতে লাগলো। 

স্মৃদা আপু আবার বেলকনিতে গেলেন।আমাদের মানুষের এইটাই স্বভাব।কোথায় কোনো কোলাহল শুনতে পেলে আমরা সেইদিকেই পুরু মনোযোগ দেই।সে যতই ব্যাস্ত থাকি আর যায় থাকি না কেনো।

এমনকি যদি কেউ ঘুমের মধ্যেও শুনতে পাই,সেই ব্যক্তি পুরু সুস্থ মস্তিষ্কে সেই বিষয়টি উপভোগ করবে।

হয়না এমন যে অনেকেই ঘুমের হঠাৎ উঠে গেলে,মাথা কাজ করে না। অর্থাৎ হুস থাকে না যে সে কি করছে।

স্মৃদা আপুর ক্ষেত্রে তেমনটা দেখা গেলো না।

সুন্দর করে বেলকনিতে গিয়ে পুরু বিষয়টি দেখা শুরু করলেন।নিরালা ওঁ বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারল না।

কিন্তু সে চুপ। কৌতূহল,বা বিস্ময়ের কোনো ছাপ তার চোখে মুখে দেখা যাচ্ছে না।

কি হয়েছে এখানে?

 কিছুই তো বুঝতেছি না।

স্মৃদা আপি জিজ্ঞেস করলেন।

আমি তো জানি না আপি।

হয়তো কোনো কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ওখানে পর পর চার টা বাসা।প্রত্যেকটি বাড়ি চার তলা। নিরালা আর  স্মৃদা যে বাসায় থাকে সেটাও চার তলা।

কিন্তু ঘটনা নিচে হচ্ছে।নিচেই একটা স্যার প্রাইভেট পড়ায়। ওখানের সব ছেলে পেলে বেরিয়ে পড়েছে।

লোকে লোকারণ্য হয়ে গেছে জায়গাটি।

একটা মহিলা হঠাৎ বললো,আল্লাহ ছেলেটিকে বাঁচাও।

মহিলাটা অনেক চিৎকার করতে লাগলেন।

কিছুক্ষন পরেই দেখা গেলো ধুয়া উড়ছে।অনেক ধুয়া।এত ধুয়া যে ওখানে আর কিছুই দেখা যাচ্ছে না।লাইট এর আলো যেনো সেই ধুয়াই নিজস্বতা হারিয়ে ফেলেছে।

অন্ধকারের নিস্তব্ধতা ও যেনো কোথাও হারিয়ে গেছে। জিনাকীর্ণের আর্ত চিৎকার এ জায়গাটা যেনো কোনো কারবালার প্রান্তরে রূপ নিয়েছে।

এতটা শব্দ হচ্ছিল,তারা আর বিষয়টি বুজতে পারছে না।

 নিরালা চলো যাই। দেখে আসি গিয়ে কি হয়েছে।

ইচ্ছে ছিল না।তবুও সে গেলো।কারণ সিনিয়র একজন মানুষ যখন বলেছে, অবশ্যই যেতে হলো ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও।

যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে,সেই খানেই নিরালাওঁ প্রাইভেট পড়ে।ওই বাসার নিচেই প্রাইভেট রুম টি অবস্থিত।নিরালা বিকালের ব্যাচ এ পরে।আর এইটা চলছিল সন্ধ্যার ব্যাচ।

গিয়েই লিটন স্যারের সাথে দেখা,স্যার নিরালা কে ধমকের সুরেই বললেন,নিরালা এখানে কেনো আসছো?নিরালা একটু ভয় পেলে গেলো।

পাশেই স্মৃদা আপি তার হাত ধরে আছেন।দেখে স্যার এর কিছু বললেন না।

হয়তো স্যার বুজে গেছিলো যে নিজের ইচ্ছেই আসে নাই। নিরালা তুমি তো একটা টিকটিকি দেখে ওঁ ভয় পাও।আর সেদিন একটা ছেলের হাত কেটে গেল,

আর সেটা দেখে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলে তুমি।

তাহলে এখানে কেনো আসলে?

স্যার হয়তো ভেবেছিল, নিরালা ঘটনাটি জেনে তারপর আসছে দেখতে।

কিন্তু বিষয়টি তো সেটা না।যে ছেলেটি ভিকটিম,তাকে তো দেখায় যাচ্ছে না। 

জনতা এমন ভাবে ঘিরে রেখেছে যে,কোনো মেয়ের পক্ষে ওই ভির পেরিয়ে তাকে এক নজর দেখার সাধ্য আছে।

তাই তাদেরও দেখার উপায় হয়নি।

না স্যার আসলে আমি জানি না এখানে কি হয়েছে।আর আপি বললেন,তাই আসলাম।

ও আচ্ছা।পাস থেকেই একটা মেয়ে সীমা তাকে ধরে বলল,কেমন আছো?

এইতো ভালো।তুমি?

সীমা নিরালা র ডিপার্টমেন্টের মেয়ে।

ভালই তো ছিলাম।এই ঘটনার পর কিছুই ভালো নেই।

খুবি বাজে অবস্থা।কি হয়েছে সীমা?

আমাকে একটু বলবে?

দুইজনেই সীমার সাথে কথা বলতে লাগলো।

ওখানে চারটি বাসার মধ্যে একটা বাসা হলুদ রঙের।তাদেরকে বাসাটি দেখিয়ে বলল,এই বাড়িওয়ালার তিনটি মেয়ে।বড় দুই মেয়ে বিয়ে করেছে। ছুট মেয়েটি সম্মান প্রথম বর্ষে পরে। ইন্টেমিডিয়েট থেকেই একটা ছেলের সাথে সম্পর্ক।ছেলেটির নাম রবিন। ছেলেটি একাই। ওর বাবা নেই।মা আছেন। ছুট সময় বাবা মারা যায়।মা হয়তো আর ছেলের দিকে তাকিয়ে বিয়ে করে নাই।রবিন এর সাথে মেয়েটি সম্পর্ক।আজকে প্রায় তিন বছর হবে।

জানো আমার ছেলেটির এখানে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে  বলা কথা গুলো এখনও কানে বাজছে।

হঠাৎ বলে উঠলো

রাখি,রাখি তুমাদের বাসার গেট খুলো।

আমি তুমার বাবার কাছে যাব।আমি তুমার বাবার সাথে কথা বলব। আমি আংকেল কে দরকার পড়লে পায়ে ধরবো।আমায় যেনো মেনে নেই।আমি তুমাকে ছাড়া আমার জীবনে কাউকে ভাবতে পারি না।তুমি আমার সাথে বেইমানি করতে পারো না।আমি তুমাকে ছাড়া বাঁচব না।আমার জীবনে কেউ নেই।

বাসাটির ঠিক বিপরীতে টিনসেট একটা ঘর আছে।তার একটা রুমে প্রাইভেট পড়ানো হয়। আর ওখানেই ওরা পরে। ছেলেটি যা যা বলছিল সবই শুনা যাচ্ছিল।শুধু শুনতে পাচ্ছিল না সেই মেয়েটি,রাখি যার নাম।রাখি শুনবে কিভাবে।বিয়ের সাজে বসে থাকা কোনো মেয়ে কি আর অতীত নিয়ে ভাবতে পারে।সাঁমনে যার রঙিন পথের 

সূচনা হতে যাচ্ছে।সে কি করে বুজবে। করো শূন্য হৃদয়ে জমে থাকা যন্ত্রণার তাণ্ডব।

ছেলেটির কথা শুনে আমরা প্রথমেই সবাই হেসে দিলাম।ভাবলাম, আহা প্রেমিক আসছে।অনেক ছেলে হাসতে হাসতে বলল,দেবদাস কে একটু দেখে আসি স্যার।আমরা সবাই মজার ছলে নিলাম। কৌতুক ভেবে আমাদেরকে বাইরে যেতে দিলেন না স্যার।আমরা পড়তে থাকলাম।পাশের রুম থেকে আণ্টি,আংকেল বের হলো।

আংকেল ধমক দিয়ে ছেলেটিকে বললো,এই ছেলে এইটা ভদ্র এলাকা। আর এইটা ভদ্র লোকের বাড়ি।

এখানে এসে এই সব সিনক্রিয়েট করতেছ কেনো?চলে যাও এখান থেকে। দারোয়ান এসে ছেলেটিকে চলে যেতে  বলল।কিন্তু ছেলেটি কোনো কথা শুনছে না।

শুধু  ডেকে যাচ্ছে। উপর থেকে কোনো রেসপন্স আসছে না।তার পর কোনো শব্দ হচ্ছিল না।5 মিনিট পর দারোয়ান চিৎকার শুরু করলো।

বলতে লাগলো,না বাবা এইটা করো না।

তুমার পায়ে ধরি।পাশের বাসার আণ্টি আবার দরোজা খুলে বের হলেন।

দেখলেন ছেলেটি একটা দিয়াই শোলাই খোচা দিচ্ছে....

মহিলাটি তখন এক চিৎকার দিলেন।

আল্লাহ কার মায়ের বুক খালি হইতাছে গো।

আমরা তখন কিছুই বুঝে উঠতে পারি নাই।

বাইরে গিয়ে দেখি ছেলেটির শরীল আগুনের রাজত্ব চলছে।ধাও ধাও করে জ্বলছে জীবন্ত একটা দেহ।মহিলাটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন বেলকনিতে।

দারোয়ান ভিতর থেকে সুজা উপরে চলে গেলেন।ওখানে আর কেউই ছিল না।

ছেলেটিকে ধরার।পাশেই একটা সাদা গেলেন।যেখানে ছিল পেট্রোল। মেইন রোড থেকে কিছু লোক আসলো,তাকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা করা হলো।

অবশেষে আগুন এর শিখা নিবারণ করা গেল।

কিন্তু সেই পুড়ে যাওয়া দেহটাকে তারা দেখার সাহস পেলো না।


ছেলেটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো।তারা সবাই বাড়িতে চলে আসলো।জাস্ট 5 মিনিটের মধ্যেই মনে হলো,ওই জায়গায় কিছুই হয়নি।সব কিছুই ঠিক।

সব কিছু নরমাল।

সেই গেট খুলা হয়েছিল।কিন্তু সেটা রিখার বরযাত্রী বিদায় বেলায়।উপরের সব মানুষ বাড়ির বাহির হয়েছিল,গেটে সবাই এসেছিল ।কিন্তু সেটা নিজের মেয়ের বিদায় বেলায়।

সেই দিন গেট এ রিখার পায়ের পদচিহ্ন পড়েছিল,কিন্তু সেটা নিজেকে কোনো রঙ্গিন গাড়িতে উঠানোর তাগিদে।

কি সুন্দর করে রিখা ঠিক শশুর বাড়িতে চলে গিয়েছে।

একপাশে সাঁঝ নিয়ে ব্যাস্ত কেউ, অপরপাশে যন্ত্রণার বসতভিটা নামক দেহে আগুন দিচ্ছে।

মেহেদী রাঙানো দুটি হাতে হাত রেখে  কেউ পথ চলার শপথ নিচ্ছে,অন্যদিকে কেউ আগুনের শিখায় নিজের স্বপ্নের জীবনের বিসর্জন দিতে নিজের হাতে পেট্রোল দিচ্ছে।

উনি সাইন করছে, নবজীবনের ।

অন্যদিকে তার ড্যাথ সার্টিফিকেট এ তার কোনো আপনজনের সাইন করার ব্যবস্থা করতেছে।


পরের দিন সকালে পুলিশ আসলো তিন গাড়ি।কোনো পুলিশ বাসার ভিতরে যেতে চাইলো না।


রিখার বাবা নিচে আসলেন।অনেক লোক জমা হলো।পুলিশ রিখার ফোনটি নিয়ে আসতে বলল।

দুই জনের কথপোকথন চেক করলো।

পুড়ে যাওয়ার আগে রবিন তার ফোন টি পাশে ছুঁড়ে দিয়েছিল। ও হয়তো এই পৃথিবীকে দেখাতে চেয়েছিল,তার ভালোবাসা মিথ্যে ছিল না।

মেয়ের বাবা সব কিছুই অস্বিকার করলে,পুলিশ সব কিছুই পরিয়ে শুনাতে লাগলেন।

কিন্তু নিজেকে আগুনে বিসর্জন দেওয়ার আগের যে মেসেজটি করেছিল।সেটা দেখে সবাই কান্না করেছিল।

আজকে তুমার বিয়ে।আমাকে না জানিয়ে বিয়ে করতেছ।দেখা করতে আসছি, গেট খুলতেছ না।আমাকে ছেড়ে দেওয়ার কারণ বলছো না।আমাকে তুমার বাবার সাথে কথা বলার সুযোগ দিচ্ছ না।

আমি আজকে সারাদিন থেকে তুমার সাথে দেখা করার চেষ্টা করতেছি।পার্লারে দাড়িয়ে ছিলাম।এখন তুমার বাসার সামনে।

আমি লাস্ট ওয়ার্ন করছি।আমার হাতে পেট্রল আছে।আমাকে একটা সুযোগ দাও।নয়তো আমি এখানেই নিজেকে জ্বালিয়ে দিবো।

আমি কোনো ভাবেই মানতে পারবো না।

তুমাকে হারিয়ে ফেলার যন্ত্রণা আমি সয়ে উঠতে পারব না।

ওখান থেকে একটি মেসেজ আসছিল।

যা খুশি কর।

আমার কিছুই করার নেই।

দারোয়ান কে জিজ্ঞেস করা হলো,

আপনি কেনো খুলে দিলেন না।

দারোয়ান বললেন,আমার কি ক্ষমতা আছে।আমি কাজ করি মাত্র।আমাকে যা বলা হয়েছে আমি তাই করেছি।

আপনি যখন দেখলেন ছেলেটি নিজেকে জ্বালিয়ে দিচ্ছে,পেট্রোল দিচ্ছে শরীলে।

আপনি আটকাবেন না।তখনও গেট খুলে বাইরে আসার মনুষত্ব আপনার জাগে নাই?আপনার বিবেক এতোটাই উদাসীন হয়ে গিয়েছিল কর্তব্যের কাছে। অর্ডারের কাছে।

দারোয়ান মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে রইলো।

বললো সাহেব আমি উপরের উনাদের বলতে গিয়েছিলাম।কিন্তু উনারা আমাকে নিচে আসতে বলেছেন।বলেছেন এখানে কোনো কথা হবে না।

আসলে ওখানে তো বিয়ে হচ্ছিল।আমি যখন যায় তখন কাজী বিয়ে পড়াচ্ছিলেন।বাড়িওয়ালা ব্যাস্ত ছিলেন। রিখাকে বলতেও পারি নাই।

বরযাত্রীর সামনেই ছিলেন। তাই।

তারপর মেয়ের বাবাকে জিজ্ঞেস করলে 

জানা গেলো,সম্পর্কটি অসমান ছিল।দুনিয়ার কোনো বাবাই মানবে না।যে তার মেয়ে একটা বেকার,আর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত ছেলের কাছে নিজের মেয়েকে দিতে।আমিও পারি নাই।

আমার মেয়েকে আমি বুজাতে পেরেছি।তাই আমি বিয়ে দিতে পেরেছি।

এখানে আমাদের কিছুই করার নেই।

আর যে এসএমএস গুলো দেখতেছেন,আমার মেয়ে ছুট ছিল।তাই ভুলিয়ে ভালিয়ে এই সব করেছে।ওর ভালোমন্দ বুঝার সময় ছিল নাকি।আর বখাটে ছিল ওই ছেলে।ভবঘুরে টাইপ এর।আমি মাইয়া মেরে ফেলে দিতাম।তবুও ওখানে বিয়ে দিতাম না।

তারপর অজ্ঞান হয়ে যাওয়া আন্টিকে জিজ্ঞেস করা হলো,উনি তো কান্নায় করে দিলেন।

বললেন আমি জীবনে এমন ঘটনা দেখি নাই।

আগুনে পুড়তে ছিল যখন 

কি ছটফট করতে লাগলো।হয়তো বাঁচানোর চেষ্টারা তখন জেগে উঠেছিল।

কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ।

আমি তো কিছুই বলতে পারি না তারপরের ঘটনা।

কিছুদিন আগে জানতে পারলাম।

সেই ঘটনায় না মেয়ের কিছু হয়েছে।না ওই পরিবারের।

মেয়েটি সেদিন বিয়ের বেসে লন্ডন চলে গিয়েছিল জামাইয়ের সাথে।এখনো পর্যন্ত আসে নাই।আর কোনো দিন হয়তো আসবে ও না।

শুধু হারিয়ে থাকলে একটা মা হারিয়েছে তার বেচেঁ থাকার এক মাত্র সম্বল।

যারা নিয়তিকে মেনে নিতে পারবে না

তাদের জন্য এই পৃথিবীটা ই জাহান্নাম।

আর যারা মানতে পারবে,তারা হয়তো জান্নাত পাবে না।

কিন্তু তাদের জন্য হয়তো কেউ এই পৃথিবীটাকে জান্নাত তুলল মনে করবে।

ঠিক যেমন রবিনের মা কাছে ছেলের বেচেঁ থাকাটাই তার কাছে জান্নাতের সুখ ছিল।আর রিখা কে না পাওয়াটা হয়তো কষ্টকর ছিল রবিনের কাছে।

কিন্তু নিজের মায়ের দিকে তাকালে সব ঠিক হয়ে যেতো একদিন।সব যন্ত্রণার অবসান হতো।হয়তো কোনো এক বসন্তের কোকিল তার জীবনে আবার সুরের আগমনী বার্তা নিয়ে আসত।

আসতো ই 

এটাই প্রকৃতির নিয়ম।

কিন্তু তার মা, সে আমৃত্যু জাহান্নামের চেয়েও ভয়াবহ যন্ত্রণা বয়ে বেড়াবে।এই যন্ত্রণার কোনো সমাধান নেই।













 




Comments

Popular Posts