ও প্রিয় সত্য
একরাশ ক্লান্তি আর বুক ভারি হয়ে আসা নিশ্বাস নিয়ে তুমি যদি কারোর থেকে কিছুটা প্রশান্তি না পাও।তাহলে তুমার মত হতভাগা আর দুইটা নাই।
যদি তুমার মুখ দেখে কেউ বুঝে নেই,তুমি কেমন আছো?
তুমিই সেই ভাগ্যবান, যার জন্য আসলেই কেউ আছে।
যদি তুমার মুখ থেকে বেরুনো,প্রতিটা শব্দ কেউ বিশ্লেষণ করে প্রতিনিয়ত।আমি বলব,তুমার মত ভাগ্যবান আর দ্বিতীয় কেউ নেই।
ভালবাসার কথা এই পৃথিবীতে বিদ্যমান অক্সিজেনের মতো।জীবনের খুব দরকার।অথচ প্রতিনিয়ত রং বদলে বেরিয়ে যাচ্ছে জীবন থেকে। কতই না অক্সিজেন যাচ্ছে তুমার রক্তে,তুমার ফুসফুসে।কই ওরা কি আছে তুমার মাঝে?
নাই.....
থাকবেও না।
ভালোবাসাও তেমন।
কোন দিকে থেকে কার জীবনে কার ভালোবাসা চলে যাচ্ছে।বলা মুশকিল!
এই পৃথিবীর জটিল।এই খানে বসবাস করতে থাকা মানুষের করা হিসেবের খাতা টাও আরো অনেক জটিল।এখানে শুধু চলে, শো অফ।এখানে শুধু প্রতারিত করার ধান্দা আর নিজেকে জীবন পথে একটা ভালো রাখার সবচেয়ে নির্দয় তম প্রয়াস ছাড়া আর কিছুই নাই।
এখানে মানুষের মাঝে কিছুই পাবেন না।নিজেকে ভালো রাখতে মানুষ,সব সব করতে পারে।
দেখবে এই পৃথিবীতে অনেক অনেক সম্পর্ক আছে,যেইটা দেখেই বুঝা যায়,,,,তাদের রিলেশনশিপ একে অপরের অবসরের বিনোদন ছাড়া কিছুই নয়।
না আছে দায়িত্ব,না আছে ভালোলাগা,আর না আছে সেখানে ভালোবাসা।
অথচ কতো কি এইটা নিয়ে!
আমরা দুঃখ পেলে কান্না করি।আমরা প্রতারিত হলে,সৃষ্টি কর্তার কাছে নির্দ্বিধায় বিচার দিয়ে ফেলি।
অথচ তাদের সেই প্রতারিত করার মুহুর্ত গুলোকে ও মিস করে কান্না করি।
যদি মনে করে কান্নায় করো,তাহলে বিচার কেনো?
আবার বিচারি দিলে,আবার সেই মিথ্যে গুলোকে ভেবে দুঃখ কেনো?
হিসেব মিলে না।😅
তারা জানে যে,,,তাকে তো সে চাই নাই। অথচ দেখা যায়,মানুষ কতভাবে দুঃখ প্রকাশ করে।
কারোর নাকি নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে,আবার কারোর নাকি বিরহের আগুনে পুরু জীবন পুড়ে।এত ব্যাথা,,,,?
তবুও আমরা শিখি না।আমরা শিখি না কাউকে কষ্ট না দিতে।আমরা শিখি না,কারোর আবেগ নিয়ে না খেলতে।আমরা শিখি না,আমার মত তার ও কষ্ট হয়।আমাদের বিরত থাকা উচিত সকল নাফরমানী,আর প্রতারণা থেকে।
কত নির্মম সত্য পরিস্থিতি,তবুও মানুষ হয়ে আমরা কাউকে মূল্যায়ন করি না।
কিন্তু ঐযে বললাম,যারা তুমার ফেস ডিসক্রাইব করে,তুমার কথা ডিসক্রাইব করে।তারা কি মিথ্যে?
না তারা মিথ্যে না।তারা তাদের জায়গা থেকে সত্য।হয়তো তারা সেখানেই ভালো।তারা আসলে এক প্রকার অসহায়। এরা কারোর অবসরের বিনোদন হতে চাই না। আবার এরা কখনোই নিজের মনকে কন্ট্রোল করতে পারে না।মস্তিষ্কের প্রত্যেকটা শিরাই বহমান রক্তের গতি কন্ট্রোল করতে পারলেও,তারা মনের রঙের গতি পরিবর্তনে ব্যর্থ।তারা না পারে কোথা ও ভালো থাকতে ,না পারে কারোর ভালই বাঁচতে।
এদের মনে একদিকে থাকে সংশয় অন্য দিকে থাকে,প্রিয় মানুষ থেকে দূরে যাওয়ার তুমুল ঝড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্খা। এরা অনেক ভয়ে জীবন চালায়।
এই মানুষগুলোকে কখনোই দুঃখ দিতে নেই। এরা যেদিন থেকে তুমার পিছনে লাগে, ওদিন থেকেই জ্বলতে থাকে।
শুধু বাকি থাকে সময়ের আবর্তনে তাদের জ্বলন্ত জীবন নিভে যাওয়ার।
Comments
Post a Comment